মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
যুবক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ ভোটে জয়ী হয় আপনি দ্বিতীয় বার আবার গদিতে বসার সুযোগ পেয়েছেন দ্বিতীয় বার আবার প্রধানত দিচ্ছেন আমাদের দেশের। এটা যথেষ্ট গর্বের বিষয় যে আমাদের দেশের মানুষ পরপর দুবার এক রাজনৈতিক দলকে বিশ্বাস করতে পারল আপনার প্রথম পাঁচ বছরে কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে মানুষ আপনাকে দ্বিতীয়বার গদিতে বসার সুযোগ করে দিয়েছেন।
তবে মনে রাখবেন আমাদের ভারতে যুবক সম্প্রদায় বা ইয়ং জেনারেশনের ক্ষমতা কিন্তু সবচেয়ে বেশি এবং আপনি অধিকাংশ ভোট পেয়েছেন যুবক সম্প্রদায় তরফ থেকে।
আপনি কোন দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেটা নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই তবে আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হল প্রতিশ্রুতি না রাখা অর্থাৎ এক্সপেক্টেশন ব্রেক হওয়া।
মনে আছে যখন আপনি 6 বছর আগে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করলেন এবং ভোটের পূর্বে আপনি যত সভা করেছেন সেখানে আপনি কোটি কোটি মানুষকে কত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কিন্তু চাকরি কোথায়?? গত 5 বছরে দেশের সেরকম চাকরির ক্ষেত্রে উন্নতি লক্ষ্য করা যায়নি তবে দেশের আপনি প্রচুর উন্নতি করেছেন যার মধ্যে নোট বন্দি গ্যাসের ভর্তুকি উল্লেখযোগ্য।
যেখানে আগে বড়জোর 500 টাকা দিলে একটি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যেত সেখানে এখন আপনার দয়া প্রায় 900 থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে এবং তারপরে বাকি ভর্তুকি ব্যাংকে আসতে এক মাসের জায়গায় কখনো কখনো সাত-আট মাস পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে।
এবং তার সাথে তো রইল আপনার স্বপ্নের ডিজিটাল ইন্ডিয়া সেটা অবশ্যই প্রয়োজন কারণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে আমাদেরকে অবশ্যই আপডেট থাকতে হবে তবে যে দেশের মানুষ এখনো অ আ ক খ শেখেনি এক রাতের মধ্যে থাকে আপনি মেঘনাদবধ কাব্য গ্রন্থ শেখাবেন কি করে? যেখানে দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রায় এক বেলা খেয়ে দিন কাটাচ্ছে ।
শুধুমাত্র দেশে মুকেশ আম্বানির মত ধনী পরিবার থাকা মানেই দেশটা ধনী হয়ে যাওয়া নয় দেশের 70 শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে।
চাকরি পাওয়া তো দূর বর্তমান সমাজের সাধারণ ঘরে ছাত্রছাত্রীরা চাকরির জন্য আবেদন করতে ভয় পাচ্ছে কারণ আপনারা তো সকল সুযোগ সুবিধা শুধুমাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দিয়ে রেখেছেন।
মানছি ডঃ বি আর আম্বেদকর এর সময় থেকে এই বর্ণ প্রথা শুরু হয়েছে।কিন্তু তাই বলে জেনারেল স্টুডেন্ট এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্টুডেন্টদের মধ্যে এতটা তফাৎ করবেন?
আপনাদের সরকারের পরীক্ষায় বসতে গেলে একজন সংখ্যালঘু পরিবারের ছাত্রকে যা মূল্য দিতে হয় তার চেয়ে প্রায় তিন ডবল মূল্য দিতে হয় সাধারণ ঘরে ছাত্র ছাত্রীদের।কিন্তু আমরা এত টাকা মূল্য বেশি দিয়ে ফরম ফিলাপ কেন করব আপনারা কি প্রতিবছর জেনারেল স্টুডেন্টদের জন্য আলাদা করে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছেন??
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা তে এপ্লাই করতে কত টাকা লাগে সেটা নিয়ে আমার খুব একটা আপত্তি নেই তবে তাই বলে জেনারেলদের এত বেশি না কাটা কিন্তু বাঞ্ছনীয় নয় কারণ আপনি জানেন আমরা বর্তমানে এখন উন্নত হতে পারিনি আমরা উন্নয়নশীল হয়ে থেকে গেছি তাই সেই জায়গা থেকে আপনার কাছে একটা বিনীত অনুরোধ দয়া করে জেনারেল ছাত্র-ছাত্রীদের এপ্লাই করার অর্থের পরিমাণ টা একটু কমিয়ে দেন তাহলে খুবই সুবিধা হয়।
এবং সর্বশেষে আপনার কাছে একটাই অনুরোধ যদি বাস্তবে রূপান্তর না করতে পারেন তাহলে প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
ইতি এক শিক্ষিত বেকার ছেলে
যুবক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ ভোটে জয়ী হয় আপনি দ্বিতীয় বার আবার গদিতে বসার সুযোগ পেয়েছেন দ্বিতীয় বার আবার প্রধানত দিচ্ছেন আমাদের দেশের। এটা যথেষ্ট গর্বের বিষয় যে আমাদের দেশের মানুষ পরপর দুবার এক রাজনৈতিক দলকে বিশ্বাস করতে পারল আপনার প্রথম পাঁচ বছরে কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে মানুষ আপনাকে দ্বিতীয়বার গদিতে বসার সুযোগ করে দিয়েছেন।
তবে মনে রাখবেন আমাদের ভারতে যুবক সম্প্রদায় বা ইয়ং জেনারেশনের ক্ষমতা কিন্তু সবচেয়ে বেশি এবং আপনি অধিকাংশ ভোট পেয়েছেন যুবক সম্প্রদায় তরফ থেকে।
আপনি কোন দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেটা নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই তবে আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হল প্রতিশ্রুতি না রাখা অর্থাৎ এক্সপেক্টেশন ব্রেক হওয়া।
মনে আছে যখন আপনি 6 বছর আগে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করলেন এবং ভোটের পূর্বে আপনি যত সভা করেছেন সেখানে আপনি কোটি কোটি মানুষকে কত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কিন্তু চাকরি কোথায়?? গত 5 বছরে দেশের সেরকম চাকরির ক্ষেত্রে উন্নতি লক্ষ্য করা যায়নি তবে দেশের আপনি প্রচুর উন্নতি করেছেন যার মধ্যে নোট বন্দি গ্যাসের ভর্তুকি উল্লেখযোগ্য।
যেখানে আগে বড়জোর 500 টাকা দিলে একটি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যেত সেখানে এখন আপনার দয়া প্রায় 900 থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে এবং তারপরে বাকি ভর্তুকি ব্যাংকে আসতে এক মাসের জায়গায় কখনো কখনো সাত-আট মাস পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে।
এবং তার সাথে তো রইল আপনার স্বপ্নের ডিজিটাল ইন্ডিয়া সেটা অবশ্যই প্রয়োজন কারণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে আমাদেরকে অবশ্যই আপডেট থাকতে হবে তবে যে দেশের মানুষ এখনো অ আ ক খ শেখেনি এক রাতের মধ্যে থাকে আপনি মেঘনাদবধ কাব্য গ্রন্থ শেখাবেন কি করে? যেখানে দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রায় এক বেলা খেয়ে দিন কাটাচ্ছে ।
শুধুমাত্র দেশে মুকেশ আম্বানির মত ধনী পরিবার থাকা মানেই দেশটা ধনী হয়ে যাওয়া নয় দেশের 70 শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে।
চাকরি পাওয়া তো দূর বর্তমান সমাজের সাধারণ ঘরে ছাত্রছাত্রীরা চাকরির জন্য আবেদন করতে ভয় পাচ্ছে কারণ আপনারা তো সকল সুযোগ সুবিধা শুধুমাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দিয়ে রেখেছেন।
মানছি ডঃ বি আর আম্বেদকর এর সময় থেকে এই বর্ণ প্রথা শুরু হয়েছে।কিন্তু তাই বলে জেনারেল স্টুডেন্ট এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্টুডেন্টদের মধ্যে এতটা তফাৎ করবেন?
আপনাদের সরকারের পরীক্ষায় বসতে গেলে একজন সংখ্যালঘু পরিবারের ছাত্রকে যা মূল্য দিতে হয় তার চেয়ে প্রায় তিন ডবল মূল্য দিতে হয় সাধারণ ঘরে ছাত্র ছাত্রীদের।কিন্তু আমরা এত টাকা মূল্য বেশি দিয়ে ফরম ফিলাপ কেন করব আপনারা কি প্রতিবছর জেনারেল স্টুডেন্টদের জন্য আলাদা করে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছেন??
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা তে এপ্লাই করতে কত টাকা লাগে সেটা নিয়ে আমার খুব একটা আপত্তি নেই তবে তাই বলে জেনারেলদের এত বেশি না কাটা কিন্তু বাঞ্ছনীয় নয় কারণ আপনি জানেন আমরা বর্তমানে এখন উন্নত হতে পারিনি আমরা উন্নয়নশীল হয়ে থেকে গেছি তাই সেই জায়গা থেকে আপনার কাছে একটা বিনীত অনুরোধ দয়া করে জেনারেল ছাত্র-ছাত্রীদের এপ্লাই করার অর্থের পরিমাণ টা একটু কমিয়ে দেন তাহলে খুবই সুবিধা হয়।
এবং সর্বশেষে আপনার কাছে একটাই অনুরোধ যদি বাস্তবে রূপান্তর না করতে পারেন তাহলে প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
ইতি এক শিক্ষিত বেকার ছেলে
Comments
Post a Comment